সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে আকস্মিক বজ্রপাতে পৃথক চার জেলায় ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
নেত্রকোণা:
নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে বজ্রপাতে এক জেলে ও দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সকালে ধনু নদে মাছ ধরতে গিয়ে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আব্দুল মোতালিব (৫৫) মারা যান। দুপুরে সাতগাঁও গ্রামে ধান শুকাতে গিয়ে মোনায়েম খাঁ পালান এবং বিকেলে কৃষ্ণপুরের ছায়ার হাওরে ধান কাটার সময় সিরাজগঞ্জের শুভ মন্ডল বজ্রপাতে প্রাণ হারান। খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় পৃথক স্থানে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার বৈঠাখালী গ্রামের জমির হোসেন (৪২), আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জমির উদ্দিন (৪৬) এবং জামালগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামের আবু সালেহ (২২)। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শফিক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া শান্তিগঞ্জে বজ্রপাতে আরও তিন কৃষক আহত হয়েছেন।
হবিগঞ্জ ও নোয়াখালী:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নবীগঞ্জের নোয়াগাঁও গ্রামের মকছুদ আলী (৪০) এবং বানিয়াচংয়ের আব্দুস সালাম (৩৫) ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, নোয়াখালীর হাতিয়ায় বাদাম শুকাতে গিয়ে বজ্রপাতে মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।